biologyschool-logo
ফিচার ছবি-ব্লগ (24)

ইউক্যারিওটিক কোষ বলতে কী বুঝ?

ইউক্যারিওটিক কোষ হলো প্রকৃত কোষ। এই কোষে মেমব্রেনে আবৃত নিউক্লিয়াস সহ সুগঠিত অঙ্গাণু থাকে। উদ্ভিদ কোষ, প্রাণীকোষ ইউক্যারিওটিক কোষের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এই লেকচারে ইউক্যারিওটিক কোষ সম্পর্কে আলোচনা করা হবে, যেখানে ইউক্যারিওটিক কোষ বলতে কী বুঝ? আলোচনায় থাকবে:-

১) ইউক্যারিওটিক কোষের প্রাথমিক আলোচনা

২) ইউক্যারিওটিক কোষের বৈশিষ্ট্য

৩) ইউক্যারিওটিক কোষের গঠন

৪) বিভিন্ন প্রকার ইউক্যারিওটিক কোষ

৫) ইউক্যারিওটিক ও প্রোক্যারিওটিক কোষের পার্থক্য

ইউক্যারিওটিক কোষ

ইউক্যারিওটিক কোষ এমন এক প্রকার কোষ যেখানে মেমব্রেন আবৃত নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য অঙ্গাণু থাকে।

মূলত ইউক্যারিওটিক কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য অঙ্গাণু থাকবে এবং প্লাজমামেমব্রেন দিয়ে সুন্দরভাবে আবৃত থাকবে। সুগঠিত ‍নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি বিবেচনায় এদেরকে প্রোক্যারিওটিক থেকে আলাদা করা যায়। ইউক্যারিওটিক কোষের অভ্যন্তরীণ গঠন বেশ জটিল। কারণ এখানে মেমব্রেনে আবৃত বিভিন্ন অঙ্গাণু যেমন নিউক্লিয়াস, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বস্তু, লাইসোসোম প্রভৃতি থাকে। এই সকল অঙ্গাণু প্রত্যেকে নির্দিষ্ট কাজের সাথে জড়িত যা কোষকে সচল রাখে।

উন্নত সকল জীবদেহ ইউক্যারিওটিক কোষ দিয়ে গঠিত। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রকার ছত্রাক, প্রোটোজোয়া, উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহ ইউক্যারিওটিক কোষ দিয়ে গঠিত। ইউক্যারিওটিক কোষ দিয়ে গঠিত সকল জীবকে ইউক্যারিওট (Eukaryota) বলা হয়।

ইউক্যারিওটিক কোষের বৈশিষ্ট্যঃ

ইউক্যারিওটিক কোষের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:-

১) ইউক্যারিওটিক কোষে মেমব্রেনে আবৃত নিউক্লিয়াস আছে

২) কোষ মাইটোকন্ড্রিয়া ধারণ করে

৩) ইউক্যারিওটিক কোষে ফ্ল্যাজেলা ও সিলিয়া চলন অঙ্গাণু

৪) ইউক্যারিওটিক কোষের সর্ববহিস্থ স্তরে কোষ প্রাচীর থাকে

৫) দেহ কোষ মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজন হয়

৬) সাইটোস্কেলেটাল গঠন দেখা যায়

৭) নিউক্লিয়াস একটি, রৈখিক ডিএনএ ধারণ করে যা জেনেটিক তথ্য বহন করে।

ইউক্যারিওটিক কোষের গঠন

ইউক্যারিওটিক কোষের গঠন নিম্নরূপ:

সুকেন্দ্রিক কোষ
                                       চিত্রঃ ইউক্যারিওটিক কোষের গঠন

১) প্লাজমামেমব্রেন

ক) প্লাজমামেমব্রেন কোষকে  বাইরের পরিবেশ থেকে পৃথক রাখে

খ) প্লাজমামেমব্রেনে নিমজ্জিত প্রোটিন থাকে। এই প্রোটিন কোষের বাইরের সাথে বিভিন্ন উপাদান পরিবহনে সহায়তা করে।

২) কোষ প্রাচীর

ক) উদ্ভিদ কোষের বাইরের দৃঢ় আবরণ। প্রাণীকোষে কোষ প্রাচীর থাকে না।

খ) এটি কোষের আকার গঠন করে এবং কোষের সাথে কোষের আন্তঃসম্পর্ক রক্ষা  করে

গ) এটি এক প্রকার প্রতিরতক্ষা স্তর। এটি বাইরের আঘাত বা বালাই আক্রমণ থেকে কোষকে রক্ষা করে

ঘ) এটি সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ, পেকটিন , প্রোটিনসহ অন্যান্য উপাদান দিয়ে গঠিত

৩) সাইটোপ্লাজম

সাইটোপ্লাজম হলো অর্ধতরল পদার্থ দিয়ে গঠিত কোষের অভ্যন্তরীণ অংশ যেখানে বিভিন্ন প্রকার অঙ্গাণু ভাসমান থাকে।

৪) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম

  • এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম হলো এক প্রকার জালিকাকার অঙ্গাণ। এটি প্রোটিন ও লিপিড সংশ্লেষণের সাথে জড়িত।
  • দুই প্রকার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম আছে: অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ও মসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম।
  • অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়ে রাইবোসোম দানা থাকে, ফলে এটি প্রোটিন সংশ্লেষণের সাথে জড়িত। অন্যদিকে মসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়ে কোনো রাইবোসোম দানা থাকে না। মসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম লিপিড সংশ্লেষণ করে।

৫) গলজি বস্তু

  • গলজি বস্তু কোষদেহে বিদ্যমান এক প্রকার অঙ্গাণু যা চ্যাপ্টা ডিস্ক আকৃতির সিস্টারনি ও কয়েক প্রকার ভেসিকেল দিয়ে তৈরী।
  • অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে উৎপন্ন প্রোটিন ও লিপিডের প্রসেসিংয়ের সাথে জড়িত।

৬) মাইটোকন্ড্রিয়া

এটি কোষের শক্তিঘর নামে পরিচিত। শ্বসন প্রক্রিয়ায় এটিপি রূপে শক্তি উৎপন্ন হয়।

৭) লাইসোসোম

  • এটি কোষের আত্মহত্যা ব্যাগ নামে পরিচিত।
  • এটা প্রাণীকোষের পরিপাক অঙ্গাণু, যেখানে অধিকাংশ ম্যাক্রোমলিকুল হাইড্রোলাইজড হয়। তবে কিছু উদ্ভিদকোষেও দেখা যায়।

৮) পারঅক্সিসোম

  • একটি বিশেষ অঙ্গাণু, যা নানা প্রকার জৈবিক ক্রিয়া সম্পাদন করে এবং বর্জ্য পদার্থ হিসেবে হাইড্রোজেন-পার-অক্সাইড উৎপন্ন করে।

৯) সাইটোস্কেলেটন

  • এটা কোষের সঠিক আকার প্রদান করে এবং কোষের চলনে সহায়তা করে। এছাড়াও প্রোটিন উৎপাদন করে।

১০) সেন্ট্রোসেম

এই অঙ্গাণুটি একজোড়া সেন্ট্রিওল দিয়ে গঠিত। এখানে মাইক্রোটিউবিউল উৎপত্তি লাভ করে। এটা প্রাণীকোষে থাকে। কিন্তু কোনো কোনো উদ্ভিদকোষে দেখা যায়।

১১) নিউক্লিয়াস 

নিউক্লিয়ার ঝিল্লি, নিউক্লিওলাস ও ক্রোমাটিন এই তিনটি অংশ একত্রে নিউক্লিয়াস গঠিত। নিউক্লিওপ্লাজমে ডিএনএ ও প্রোটিন থাকে। নিউক্লিয়াস দ্বিস্তরবিশিষ্ট দিয়ে আবৃত থাকে।

ইউক্যারিওটিক কোষের কাজ

ইউক্যারিওটিক কোষের বিভিন্ন কাজ নিচে আলোচনা করা হলো:-

·       নিউক্লিয়াস কোষের জেনেটিক বস্তু (ডিএনএ) ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা বিধান করে।

·       ডিএনএ’তে সঞ্চিত জেনেটিক কোড অনুযায়ী রাইবোসোমে প্রোটিনের সংশ্লেষণ ঘটে।

·       মাইটোকন্ড্রিয়া শ্বসন প্রক্রিয়ায়  এটিপি রূপে শক্তি উৎপন্ন করে। অন্যদিকে ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা উৎপন্ন করে।

·       এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম লিপিড ও প্রোটিনের সংশ্লেষণ ঘটায়।

·       গলজি বস্তু প্রোটিন ও লিপিড প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজিং করে।

·       লাইসোসোম এনজাইম ধারণ করে যা কোষীয় বর্জ্য পদার্থ ভেঙে ফেলে।

·       পারঅক্সিসোম কোষের ক্ষতিকর পদার্থের ডিটক্সিফাই করে।

·       সাইটোস্কেলেটন গাঠনিক সহায়তা, কোষের আকার নিয়ন্ত্রণ ও কোষের অভ্যন্তরের পরিহনে সহায়তা করে।

·       কোষ গহ্বর পানি, পুষ্টি উপাদান ও অন্যান্য উপাদান সঞ্চয় করে।

বিভিন্ন প্রকার ইউক্যারিওটিক কোষ

উন্নত বিভিন্ন প্রকার জীবদেহে  ইউক্যারিওটিক কোষ দেখা যায়। নিচে আলোচনা করা হলো।

প্রাণীকোষ

  • মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণীদেহে দেখা যায়
  • সাধারণত ইউক্যারিওটিক কোষীয় অঙ্গাণু যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, সেন্ট্রিওল প্রভৃতি থাকে।

উদ্ভিদ কোষ

  • সকল প্রকার উদ্ভিদ দেহে দেখা যায়
  • প্রাণীকোষের মতো অঙ্গাণু থাকে। তবে বিশেষ অঙ্গাণু হিসেবে ক্লোরোপ্লাস্ট ও কোষগহ্বর থাকে।

ছত্রাক কোষ

  • ছত্রাক দেহে এই কোষ পাওয়া যায়
  • চিটিন নির্মিত কোষ প্রাচীর থাকে
  • হাইফা নামক অঙ্গাণু থাকে

প্রোটিস্ট কোষ

  • প্রোটিস্টার দেহে পাওয়া যায়। এটি একটি ব্যতিক্রম গ্রুপের ইউক্যারিওটিক জীব।
  • অ্যামিবা, প্যারামিসিয়া ও শৈবাল দেহে এই কোষ পাওয়া যায়।

প্রোটোজোয়া কোষ

  • প্রোটোজোয়া দেহে পাওয়া যায়। প্রোটোজোয়া এককোষী ইউক্যারিওটিক জীব।
  • প্লাজমোডিয়াম ও ট্রিপানোসোমা প্রভৃতি প্রোটোজোয়া।

প্রাককেন্দ্রিক ও সুকেন্দ্রিক কোষের তুলনা

১) অণুবীক্ষণযন্ত্র দিয়ে একটি ব্যাঙ ও ব্যাকটেরিয়ার কোষ পর্যবেক্ষণ করলে যে অঙ্গাণু পাওয়া যাবে, তাদের মধ্যে বেশ পার্থক্য থাকবে। ব্যাঙের কোষের অনেক অঙ্গাণু ব্যাকটেরিয়া কোষে পাওয়া যাবে না। কারণ ব্যাকটেরিয়া প্রাককেন্দ্রিক কোষ। অন্যদিকে ব্যাঙ ইউক্যারিওটিক বা উন্নত কোষ। ফলে উন্নত কোষের তুলনায় আদি কোষের অঙ্গাণুগুলো সুগঠিত নয়। আদি কোষের ক্ষেত্রে অনেক অঙ্গাণু নেই, যা উন্নত কোষে আছে। ইউক্যারিওটিক কোষে কোষ ঝিল্লি, ঝিল্লিতে আবৃত নিউক্লিয়াস, ক্রোমোসোমসহ প্রয়োজনীয় সব সুগঠিক অঙ্গাণু থাকে। অন্যদিকে প্রোক্যরিওটিক কোষে সুগঠিত ঝিল্লি দিয়ে আবৃত নিউক্লিয়াস নেই।

২) কোষকে প্রধান দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করলেও এমন কিছু মৌলিক অঙ্গাণু আছে, যা প্রাককেন্দ্রিক ও সুকেন্দ্রিক উভয় কোষে থাকে। এদের মধ্যে রয়েছে কোষ ঝিল্লি। এটা সব ধরণের কোষে থাকে এবং অঙ্গাণুগুলোকে আবৃত করে রাখে। কোষ ঝিল্লি দ্বিস্তর বিশিষ্ট ফসফোলিপিড দিয়ে গঠিত একটা পাতলা পর্দা যার মধ্যে কিছু প্রোটিন নিমজ্জিত থাকে।

৩) প্রোক্যারিওটিক কোষে সুগঠিত ঝিল্লি দিয়ে আবৃত নিউক্লিয়াস থাকে না। অন্যদিকে ইউক্যারিওটিক কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে।

৪) প্রোক্যারিওটিক ও ইউক্যারিওটিক কোষের প্রধান পার্থক্য হলো তাদের ডিএনএর অবস্থান। ইউক্যারিওটিক কোষে নিউক্লিয়াসের ক্রোমোসোমে সুগঠিতভাবে ডিএনএ অবস্থান করে। অন্যদিকে প্রোক্যারিওটিক কোষে ডিএনএ-এর জন্য কোনো সুগঠিত অঙ্গাণু নেই। ডিএনএ নিউক্লিওড (ঘঁপষবড়রফ) নামক একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে অবস্থান করে, যা ঝিল্লি দিয়ে আবৃত নয়।

৫) ইউক্যারিওটিক কোষ সাধারণত প্রোক্যারিওটিক কোষ অপেক্ষা বড় হয়। যেকোনো কোষের আকার তার বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বড় ভূমিকা পালন করে। কোষের আকারের সাথে তার কার্য পদ্ধতির বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। কোষে সংঘটিত বিপাকীয় কার্যাবলির উপর কোষের আকার নির্ভর করে। আকারের দিক দিয়ে ক্ষুদ্রত্তম কোষ হলো মাইক্লোপ্লাজমা নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া। এর ব্যাস ০.১-১ μm । এটিই হয়তো সবচেয়ে ক্ষুদ্র কোষ, যেখানে কোষের জৈবিক ক্রিয়া সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ ডিএনএ আছে।

দক্ষতা যাচাই

১) ইউক্যারিওটিক কোষের ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্য সঠিক?

  1. সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য অঙ্গাণু থাকে
  2. কোষের গঠন সরল প্রকৃতির
  3. ব্যাকটেরিয়ার দেহে এই কোষ দেখা যায়
  4. সরল রৈখিক ডিএনএ থাকে

উত্তর: a

২) ইউক্যারিওটিক কোষের অন্যতম অঙ্গাণু প্লাজমামেমব্রেন। প্লাজমামেমব্রেন সম্পর্কে নিচের কোন তথ্য সঠিক নয়?

  1. প্লাজমামেমব্রেনে নিমজ্জিত প্রোটিন থাকে।
  2. সকল কোষে প্লাজমামেমব্রেন থাকে
  3. প্লাজমামেমব্রেনের অপর নাম কোষ প্রাচীর
  4. প্রাজমামেমব্রেনের মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন কোষীয় উপদান পরিবাহিত হয়

উত্তর: c

৩) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম কোষের বহুবিধ কাজের সাথে জড়িত। নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?

  1. মসৃণ ও অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই
  2. মসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে রাইবোসোম দানা থাকে।
  3. অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম প্রোটিনের সংশ্লেষ ঘটায়
  4. অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম লিপিড সংশ্লেষণ করে।

উত্তর: c

৪) ইউক্যারিওটিক কোষে অসংখ্য সুগঠিত অঙ্গাণু থাকে যার মাধ্যমে কোষীয় কাজ সম্পন্ন হয়। নিচের কোন তথ্যটি সঠিক ?

  1. ইউক্যারিওটিক কোষের পারঅক্সিসোম হাইড্রোজেন-অক্সাইড উৎপন্ন করে
  2. সাইটোস্কেলেটন কোষের স্থির অঙ্গাণু
  3. সকল উদ্ভিদকোষে সেন্ট্রিওল থাকে
  4. লাইসোসোম আত্বহত্যা ব্যাগ নামে পরিচিত

উত্তর: d

৫) ইউক্যারিওটিক কোষে বিদ্যমান অঙ্গাণুগুলো বিভিন্ন কাজের সাথে জড়িত। কোষের অঙ্গাণুগুলোর কাজের ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?  

a. মাইটোকন্ড্রিয়া শ্বসন প্রক্রিয়ায় ডিটিপি রূপে শক্তি উৎপন্ন করে।

b. গলজি বস্তু প্রোটিন ও লিপিড প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজিং করে।

c. পারঅক্সিসোম কোষের ক্ষতিকর পদার্থের ডিটক্সিফাই করে।

d. কোষ গহ্বর পানি, পুষ্টি উপাদান ও অন্যান্য উপাদান সঞ্চয় করে।

উত্তর: a

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Read more blogs

কোষ কাকে বলে?

কোষের গঠন ও কাজ নিয়ে কোষ বিজ্ঞান আলোচনা করে। এটা সত্য যে কোষ হল জীবের

Read more »